আপনি কি সৌখিন কবি? আপনার কবিতা অনলাইনে প্রকাশ করতে চান? সদস্য হিসাবে যোগ দিয়ে আপনি চাইলেই আপনার কবিতা এখানে প্রকাশ করতে পারেন। সদস্য হিসাবে যোগ দেয়ার জন্য আপনার জিমেইল ঠিকানাটি দিয়ে অনুরোধ করতে পারেন। পাশাপাশি আসরের অন্যান্য কবিদের কবিতা পাঠ এবং মন্তব্য আদান-প্রদানের জন্য আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
Wednesday, September 26, 2018
Monday, September 24, 2018
অনুকাব্য ৪ (মানুষ)
১.
মসজিদ
আর মন্দির বড় আজব জায়গা ভাই
ধনী
গরীব নির্বিশেষে হেথা সবাই ভিক্ষা চাই
বর
যাত্রায় দেখবে সবাই তোমার আগে আগে
শব
যাত্রায় সবাই পিছে কেউ যাবে না আগে
এমনি
করে সুখের দিনে সবাই আগেই রয়
দুঃখের
দিনে যে যার মতো কেউতো করো নয়
মোমবাতিটা
জ্বালো করতে মৃত লোকের স্মরণ
জন্মদিনে
সেটাই নিভাও অদ্ভুত সব করণ
২.
নুনের
মতো জ্ঞান দেয় যে তাকেই বন্ধু মানো
মিষ্টি
কথার পিছেই থাকা দুষ্টটাকে জেনো
পিপড়ে
কভু ভিরবে না তিতকে নুনের কাছে
কামড়ে
দিতে ছাড়বে না সে মিষ্টি যেথায় আছে
৩.
দেয়াল
গাঁথা পেরেক একাই
বইল
যত বোঝা
ঝুলতে
থাকা ছবিই জানে
প্রশংসাটা
সোজা
৪.
সত্য
পথে কেউ চলে না বাঁকা পথেই মজা
বুঝলোনা
সে পথটা বাঁকা আগুন পানে সোজা
দুধ
বেঁচে খায় সেই অভাগা সারা গাঁয়ে হাঁটে
মদ
যে বেচে সবাই কেন তার দোকানেই ছোটে?
জল
মেশালে নিব না দুধ হুমকি জোটে সদাই
মদে
আবার নিজের হাতেই বরফ জলটা মেশাই
৫.
একই
ঘরে থাকতে পারে বেদ বাইবেল কোরান
গ্রন্থাগারে
কেই বা কবে এদের লড়াই থামান
লড়েন
যারা এসব নিয়ে তাদের তরেই বলি
লড়ার
আগে আসেন একটু কেতাব কোরান পড়ি
৬.
মানুষ
বড়ই আজব প্রাণী সৃষ্টি জীবের মাঝে
সবার
চেয়ে সবচেয়ে জ্ঞানী সেরা সকল কাজে
বুদ্ধি
কিন্তু সবার আছে মানুষ কেন সেরা
হুদয়
মাঝে বিবেক আছে সেটাই জ্ঞানের রাজা
বিবেক
দিলেন সৃষ্টি করে মন্দ ভালো বুঝ
মন্দ
রেখে ভালোর কাজে হৃদয় দিয়ে ঝুঝ
তবেই
হবে আসল মানুষ সৃষ্টি কুলের রাজা
বনের
রাজা জলের রানী সবাই তোমার প্রজা।
Saturday, September 22, 2018
এমন দেশের ন্বপ্ন দেখি
এই দেশে মানুষের মনে মায়া ছিল
পাড় ভাংগা কালো জলের ঢেউ ছিল
সরিষা ক্ষেতের মায়াবী হলুদ রঙ ছিল
ঘরে ঘরে বিন্নী ধানের খই ছিল
এই দেশে ভেজা মাটির সোদাগন্ধ ছিল
গোলাপ বকুল গন্ধরাজের ফুল ছিল
লাল গোলাপি সাতরংগা রঙধনু ছিল
বৃষ্টি শেষে অলস বিকেল গান ছিল
ককিল শায়খ বউ কথা কও সুর ছিল
রাখাল কিষাণ ধান ভাংগানোর গান ছিল
গাছির ছেনী খেজুর রসের ঘ্রাণ ছিল
বরশি ছিপে কই মাগুরের ঝাঁপ ছিল
ছই তোলা নাও নাইওর যাওয়ার চল ছিল
বৈঠা হালে মাঝির গালের গান ছিল
পিঠা পুলি পায়েশ খাওয়ার দিন ছিল
রাত প্রহরীর পহরান্তের হাঁক ছিল
উঠান ধারে অনংগ বউ চাইছিল
লাংগল কাঁধে প্রিয়তম তার ফিরছিল
বাসন্তী ফুল দল মেলে সব দুলছিল
ভালবাসার মিষ্টি বাতাস বইছিল।
Tuesday, September 18, 2018
প্রেয়সীর আবছায়া
আমার দখিনা
দুয়ার খোলা উত্তরের জানালাও
বাতাসের অবিরল
আসা যাওয়া কি বন্ধ করতে পারি?
খাটের মশারি
খোলা বিদ্যুতের বাতিগুলিও
জোনাকীর আলোকে
কি আমি ম্লান করতে পারি?
মনের গহীন
গাঙ্গে ঢেউ খেলে অবিরল
ছইয়ের আড়াল থেকে
ঘোমটা চেরা হাসির আলো
রোজ রাতে ঢেউ
ভেঙ্গে পাড়ি দেই প্রমত্ত গাঙ্গ
প্রতি সকাল আমি
পাড় ভাঙ্গা রিক্ততায় নিঃস্ব
তাই বলে কি
দখিনা বাতাস অনাস্বদিত হবে
জোনাকীর খুনসুটি
থেকে হবো বঞ্চিত!
হাসির আলোক বাস্তবে
নাই বা হলো
আবছায়া পরাবাস্তবে
লীন হোক
পাড় ভাঙ্গা
গাঙ্গের ঢেউয়ে ভেসে চেয়ে থাকি সেদিকে।
Thursday, September 13, 2018
অনুকাব্য ৩
১.
নীল পেয়ালার লাল শরাবে
মত্ত যারা নিশিদিন
তারাই আসল দুনিয়ালোভী
তাদের কিসের দ্বীন-বেদ্বীন।
২.
দ্বীন ভিখারী চাইবি হতে
মসনদ তবু ছাড়বিনা
দুনিয়াদারী আঁকড়ে থেকে
আল্লাহকেতো পাবি না।
৩.
ভাবের কথা যতই বলো পেট ভরা
মাছ মাংসতে
রঙ্গিন ফানুস উঠতে উঠতে ফিরবে
আবার মর্ততে।
পথের পথিক
পথের মাঝে ঘুরে
ঘুরে
করছ সময় অপচয়
সময় গেলে হাজার
খুঁজেও
পাবেনা তার
পরিচয়
এখন তোমার সবাই
আছে
বন্ধু স্বজন
অগনতি
আঁধার পথে হাতের
কাছে
মিলবেনা ধুপ
মোমবাতি
এখন তোমার শক্তি
ভীষণ
অর্থ বিত্ত
বৈভবে
বন্ধু আসে দুধের
মাছি
সেই মধুরই সৌরভে
ভগ্নদেহ ছিন্ন
বসন অন্ধকারে
থাকবে পরে
বিষন্নমন
দুধের মাছি আসবে
না আর
কাঁদবে দুচোখ
নিজেরইমন
পথের মাঝে ঘুরে
ঘুরে
পথ হয়েছে বাড়ী
পথই হবে সবচেয়ে
আপন
চিনতে যদি পারি
তাইতে বলি থাকতে
সময়
হুশিয়ার হও মনা
আপনাতে হও আপনি
স্নাত
আপনারে চাই
জানা।
Subscribe to:
Posts (Atom)




