google-site-verification: google7ef4faaf40a2de92.html

Pages

Tuesday, August 28, 2018

রবে না আঁধার

কয়লা ধুইলে যায়না ময়লা
চোরে শুনে না বাণী
চোরে চোরে মাসতুত ভাই
এ কথা সকলে জানি।
কয়লা খনিতে কয়লা গায়েব
ব্যাংক ভল্ট হতে সোনা
পাথর খনিতে হরিলুট চলে
কত তা যায়না গোনা।
কয়লা উড়ুক আকাশে বাতাসে
সোনা হতে থাক মাটি
চোরেরা সবাই একজোটে বলে
দেশ প্রেম আছে খাঁটি।
দশদিন চোরের একদিন সাজা
প্রবাদ আছে তো ঠিক
দিন বদলের বাজবে মাদল
হিসাবটা নেব যে ঠিক।
এমন ঘনঘোর গভীর আঁধার
রবে না দুয়ারে ঠাসি
অমানিসা ঠেলে ঊষার আলো
উঠবে হাসি উঠবে হাসি।

Sunday, August 26, 2018

মন খারাপের কষ্ট বিন্দুরা

আকাশের আরশীতে আজ
পইরাছে মোর মনের ছায়া
কালো মেঘ যেমন জমেছে মনে
আকাশেও ঠিক যেন  তারই প্রতিচ্ছবি
আমার জন্যই কি আকাশের মন খারাপ?
নাকি আকাশের জন্য আমার?
এ এক জটিল সমীকরন।
হে মন খারাপের কষ্ট বিন্দুরা!
ঝরে যাও বৃষ্টি হয়ে,
ঝরে যাও অঝোর ধারায়
সর্বংসহা মাটির সাথে মিশে যাও
ধুয়ে দাও মন  মনের জমিন
কষ্টের সাতকাহন
ভেজা মনের ভেজা মৃত্তিকায়
আনন্দ কিশলয়ের আনন্দ কোলাহলে
আনন্দিত হও
আনন্দিত করো।

রহম তোমার যাচি


“দুনিয়াদারীর শেষে আমার
 নামাজ রোজার বদলাতে”
মিলবেনা সেই মুক্তি আমার
ভীষণ জাহান্নাম হতে।

তোমার রাহীম নামের গুনে
আশায় বুক বাধিঁ
নাফরমান্ এই বান্দা ক্ষণে
ক্ষমার লাগি কাদিঁ।

নামাজ রোজা যেথায় বৃথা
তোমার ক্ষমা আছে
মাফ করে দাও গুনাহখাতা
যেখানে যা আছে।

না পাই যদি রহম-করম
রইল সবই বাকী
তুমিই শুরু তুমিই পরম
আরতো সবই ফাঁকি


গুজব সবই ?

মন মানুষের গল্প ফাঁদো
হাঁচো হাসো নাচো কাঁদো
যখন যেমন তেমন সাজো
বুলাচ্ছ হাত দিচ্ছ বাঁশও
করছ কর্ম যথা তথা
বললে ভুলে সেসব কথা
পড়বে লাঠি ভাঙবে মাথা
গুজব সবই মিথ্যে কথা?


Monday, August 20, 2018

“অনুকাব্য”


১। 

শিশু মনের ফুল বাগানে
হাজার পাখির দোলা
ঝড় বাদলে হানলে আঘাত
ফুল যাবেনা তোলা।।

২।
সকাল সাঝে মনের মাঝে
ওসওয়াসা দেয় ইবলিসে
ক্বলব আমার সোজাই রেখ
খোদা তোমার নির্দেশে।।

৩।
বনের পশু নয় রে ও ভাই
মনের পশু হোক জবাই
পৌছাবে তোর দিল ইরাদা
লোক দেখানোর নাই বালাই ।।

৪।
দুনিয়াদারী সবই মায়া
ঘাসের উপর যেমন শিশির
সকাল ভোরে রোদের তাপে
শুকিয়ে যাবে ঘাসের শরীর।।











৫।
ঘি মাখন আর দুধ খেয়ে তোর
নধর কান্তি দেখতে বেশ
খাবার যদি না হয় হালাল
জাহান্নামে জ্বলবে বেশ।।

৬।
যতই কর রাত্রি গুজার জায়নামাজে মসজিদে
হৃদমাঝারে জ্বলে পিদিম অহংকার আর গর্বতে
নামাজ রোজা খাক হবে সব বিন্দু সম অহংকার
টানবে তোমায় নামাবে ঠিক আগুন অতল গহ্বর।।

Sunday, August 12, 2018

“কুরবানী”


এসেছে নতুন চাঁদ কুরবানীর
বাঁকা হাসিতে তার দেখ আহ্বান
ইবরাহীমের সেই প্রভু অন্তপ্রাণ
আবারও চায় তোর খুন দিলিরের।

বাঁকা হাসিতে তার আছে উপহাস
মনের পশুকে সব মনেতে রেখেই
বনের পশুকে সব করেছ জবাই
তাই বাঁকা হাসি দেয় জিলহজ্ব মাস।

“জাকাত লইতে এসেছে ডাকাত চাঁদ”
লোহুর দরিয়া আনে নতুন এক ভোর
দে রাগ পাপ ঘৃণা সব কুরবানী তোর
(বল) আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।



“খুদিরাম মরে না”


একশত দশ বছর আগে
তুমি হেসেছিলে !
মুক্তির হাসি মুক্তির জন্য হাসি
অত্যাচারীর ভীরু মুখের উপর
তোমার সে হাসি ছুড়ে মেরেছিলে
সুচালু তীরের মতো স্ববেগে তীক্ষ্ন
তাই তোমাকে ওরা মারতে পারেনি
ফাঁসী দিয়ে কি মেরে ফেলা যায় ?
ফাঁসী দিয়ে কি শেষ করা যায় প্রতিবাদী উচ্চারণ?
ফাঁসী দিয়ে কি স্তব্ধ করা যায় উচ্চকিত কন্ঠ?
ফাঁসী দিয়ে কি মুছে দেয়া যায় অত্যাচারের চিহ্ন?
না যায় না !! আর তাই তো ....
মৃত খুদিঁরাম হয়ে উঠে আরও বড় বিপ্লবী
মৃত খুদিঁরাম ফেটে পড়ে শ্লোগানে আর বিক্ষোভে
মৃত খুদিঁরাম ছড়িয়ে পরে প্রাণ থেকে প্রান্তরে
মৃত খুদিঁরাম হয়ে যায় একাই একটি মিছিল
বিপ্লবীর শির নুয়ে পরে না কভু
মহীরুহ সে, ঝড়ের মুখে অটল দাড়িয়ে রয়
তার মৃত দেহ প্রতিফোঁটা রক্ত বিন্দু
প্রতিনিয়ত জন্মদেয় নব নব বিপ্লবী


                                                      খুদিরামের ফাঁসীর আদেশ এর কপি

Wednesday, August 8, 2018

“নৈশব্দের যাত্রা ভঙ্গ”


গভীর রাত নিরব নিস্তব্ধ
নির্জনতাকে খানখান করে দিয়ে তীব্র হুইসেল বাজিয়ে
শেষ ট্রেনটি চলে গেল।
আমি নামতেই দেখি চেয়ে আছে মাষ্টার
ঘোরলাগা চোখে একরাশ প্রশ্ন
আমি দেখি, নিশ্চুপ উদাস দৃষ্টি মেলে চেয়ে আছে লক্ষীপেঁচা
হট করেই যেন থেমে গেল হুটোহুটি, চিৎকার হাঁকডাক
ঘন্টাধ্বণি, ঝক ঝকা ঝক সব থেমে যেতেই আবার তথৈবচ।
নিরব নিস্তব্ধ ষ্টেশন যেন গোরস্থান
কুপি নিভিয়ে পশরা ওয়ালাদের ফিরে যাওয়া
দাফনের পর শবদেহের সাথীদের মতো ক্লান্ত বিমর্ষ
মেঘের আড়ালে অবাক গম্ভীর চাঁদ
ঝিঝিঁ পোকা আর দুরের কুকুরের ডাক
নৈশব্দের সুর বাদে কোন শব্দ নেই
আঁধারের আবেশে বিবশ মন
হঠাৎ চমকে দিল
রেশমী চুরির রিনঝিন শব্দ, ঠিক বা পাশেই
ট্রেন তো চলে গেল, তুমি গেলে না?”
নিস্তরঙ্গ পুকুরে ঢিল দিলে যেমন ছলকে উঠে পানি
লোহিত কণিকা তেমনি ছলকে উঠল পাঁজরে পাঁজরে
এই যেন আমার অনাদিকালের পরিচিত সেই কন্ঠ
যেন দিগন্ত বেয়ে নেমে আসা ঝর্ণার স্বর
যে স্বরের দোলায় আটকে যায় স্বরধ্বনি
কুল কুল করে বয়ে যাওয়া সুখসুর
উত্তরে শুধু বললাম
না;
আমি যেখানে যেতে চাই, ট্রেনটি সেখানে যাচ্ছে না
এরপর অনেকগুলি নিশব্দ মুহূর্ত শুধু চেয়ে থাকা
নৈশব্দ বলে দিল সব প্রশ্ন এবং উত্তরও।


Tuesday, August 7, 2018

“থিসিস বিড়াম্বনা”



"দৃশ্য ১: বনের মধ্যে চমৎকার রৌদ্রোজ্জ্বল এক দিন। খরগোশটি তার নিজের গর্ত থেকে বের হয়ে কম্পিউটার                 চালু করে, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ওপেন করে, টাইপ করতে লাগল। হাঁটতে বেরিয়ে খরগোশকে দেখে                   পা টিপে টিপে তার কাছে আসল এক শেয়াল। 

শেয়াল: [থাবা বের করে ধূর্ত হাসি দিয়ে] কী করছিস তুই

খরগোশ: থিসিস লিখছি আমার, আগামী পরশু জমা দিতে হবে। 

শেয়াল: [তাচ্ছিল্যভরে] অ! তা কীসের থিসিস






খরগোশ: ওহ, আমার থিসিসের বিষয় হচ্ছে "খরগোশরা কীভাবে শেয়ালদের খায়!"

                [বিশাল নিরবতা নেমে আসে কথোপকথনে]



শেয়াল: লিখলেই হলো! গুলতানির আর জায়গা পাস না। যেকোনো গাধাও জানে খরগোশরা কখনো শেয়াল 
              খায় না।

খরগোশ: অবশ্যই খায়। আমি প্রমাণ দেখাচ্ছি, এসো আমার সাথে ।

খরগোশ ও শেয়াল খরগোশের গুহায় ঢুকে যায়। কয়েক মিনিট পর শুধু খরগোশ ফিরে আসে, তারপর আগের মতো ওয়ার্ডে লিখতে থাকে।

দৃশ্য ২: একটু পর গুহার কাছে আসে নেকড়ে। খরগোশের লেখা দেখে খুব কৌতূহল জাগে তার।

নেকড়ে: কী লিখছিস রে

খরগোশ: "খরগোশরা কীভাবে নেকড়ে খায়", তার উপর একটা থিসিস করছি।

নেকড়ে: [অট্টহাসিতে ফেটে পড়তে পড়তে] এ রকম রাবিশ একটা জিনিস নিশ্চয়ই পাবলিশ করার চিন্তা                          করছিস না তুই! নাকি চিন্তা করছিস

খরগোশ: রাবিশ না, আমার সাথে এসে দেখে যাও।

দুজনে ঢুকে পড়ে খরগোশের গর্তে, এবং আগের মতোই শুধু খরগোশ ফিরে আসে খানিক পর, মন দেয় থিসিস লেখায়।

দৃশ্য ৩: খরগোশের গুহা। এক কোণায় দেখা যায় শেয়ালের হাড়ের স্তুপ পড়ে আছে, অন্য কোণায় নেকড়ের                  হাড়ের স্তুপ। আরেক কোণায় বিশালদেহী এক সিংহ বসে বসে দাঁত খিলাচ্ছে।

নৈতিক শিক্ষা: থিসিসের বিষয়বস্তু হিসেব তুমি কী নির্ধারণ করেছ, তা কোনো ব্যাপার নয়। তথ্য-উপাত্তের                                 জন্য কোন পদ্ধতি অবলম্বন করেছ, তাও কোনো ব্যাপার নয়। আসল ব্যাপার হলো,তোমার                                  থিসিস সুপারভাইজর কে? "


Monday, August 6, 2018

“হতাশার ইশতেহার”


আর ভালো লাগে না
সত্যি আর ভালো লাগে না
বিশ্বাস করুন ! একদমই ভালো লাগে না।
এই জনপদের মানচিত্রে বহু রক্তের দাগ
অসংখ্য ছোপ-ছোপ রক্ত
জমে কালশে হয়ে মুখ ব্যদান করে চেয়ে আছে
অসংখ্য যুদ্ধের স্মৃতি, হত্যা, মৃত্যু আর ধ্বংস।
ধ্বংসস্তুপ থেকে ভেসে আসা, পঁচা লাশের গন্ধ,
কাঁটাতারে ঝুলতে থাকা কিশোরী বোনের লাশ,
ছেঁড়া সীমানায় খুবলে খাওয়া ভাইয়ের মৃতদেহ,
ধর্ষিতা বোনের আহাজারী, বাবার বোবা চোখ
মায়ের কান্না নির্লজ্জ্ দক্ষতায় লুকিয়ে 
আমরা বসে যাই টিভির সামনে।
পাশবিক নগ্ন উল্লাসে টুকরো টুকরো করতে চাই
পড়শী মানুষ, বন্ধু স্বজন এমনকি পাড়ার কুকুরও।
কিন্তু এভাবে কত দিন মাস বছর কাটবে বলুন ?
ক্লান্ত শ্রান্ত লাগে না ?
হতাশ ও কি হও না ?
প্রজন্ম তো হাত বাড়িয়েছিল
একবার নয়! বার-বার বার-বার
আমাদের তো কথা ছিল আড়মোড়া ভেঙ্গে
পাথুরে দেয়াল ভেদ করে
তৃতীয় বিশ্বের অসহ্য দারিদ্র
আর বঞ্চনা পায়ে ঠেলে উঠে দাড়ানোর !
আমরা তো পারছি না, কিন্তু কেন ?
আমাদের আড্রিনালিন ফুরিয়ে যাচ্ছে
সিনেমায়, খেলার মাঠে, হয়তবা তাও না
টিভির সামনে বসে বা ফেসবুকেই শেষ
তাই কি চাও? সত্যিই কি সেটাই চাচ্ছ তোমরা
বেশ ! তবে তাই হোক !
দেশ ভাড়মে যাক, হীরক রাজার জয়ধ্বণি
ঘোষিত হোক দিক থেকে দিগন্তে
আস সবাই ক্রিকেট খেলি।
বাচ্চালোক !! তালিয়া বাজাও !!!


“দূরাগত সুর”

মেঘের পালক চাঁদের নোলক
কাগজের খেয়া ভাসছে
বুক ধুকপুক্ চাঁদপানা মুখ
চিলেকোঠা থেকে হাসছে

পা টিপটিপ বুক ঢিবঢিব
চোরাচোরা চোখে চাইছে
জানালার ঝুল ভেজাভেজা চুল
টুপটুপ জল ঝরছে
  
হিমহিম জল মরালীর দল
টুপটুপ ডুব মারছে
ভীরুভীরু বুকে দূরাগত সুরে

Thursday, August 2, 2018

“হর্ষে বিস্বাদ”




হাহা করো কিংবা হেহে
হিহি কিংবা হোহো
আনন্দ পায় হাসিতে ভাই
হর্ষে বিস্বাদ কেহ

হাসতে কারো নাইতো মানা
হাসতে থাকো সুখে
সব হাসিতো এক মানে না
সবার মুখে মুখে

হাসি আছে মানুষ ছাড়াও
আরও প্রণীর জানা
মানূষ মতো দেখতে মানুষ
তার হাসিতে হায়েনা

হীরক রাজা হাসছে ভারি
সঙ্গে সান্ত্রী মন্ত্রী
পড়ছে যারা গাড়ীর চাপায়
আজ তারাই ষড়যন্ত্রী !!?

মরছে আমার ছেলে মেয়ে
মরছে আমার ভাই
মারছে যারা তাদের বালি