google-site-verification: google7ef4faaf40a2de92.html

Pages

Wednesday, June 6, 2018

“রাবিশ এবং বোগাস”


তোরা রাবিশ এবং বোগাস
তোরা রাবিশ এবং বোগাস
জিনিসপাতির দাম বেড়েছে
কে করে বকওয়াজ?

মাছ মাংস কি খেতেই হবে
তোমার আমার ভাই?
ওসব তো ভাই মাল ওয়ালাদের
দামের কথা নাই।

চালের কথা ডালের কথা?
ওর আবার দাম কি?
ওই খেয়েই তো গরীব বাঁচে
না বাঁচলেই বা কি!!


আমার আছে হাজার কোটি
সুইস ব্যাংকে একাউন্ট
দু-দশ টাকা বাড়লে কি হয়
রাবিশ যত ভ্যাগাবন্ড।

যতই বলেন রাবিশ বোগাস
এসব কথার ভিত্তি নাই
মানুষজন যে কষ্টে আছে
আবুল মামার চিত্তে নাই।

সকল মালের দাম বেড়েছে
বলছে কথা জনতায়
শুধু আবুল মালের দাম বাড়েনি
এই কথা কি সত্য নয়!!

Monday, June 4, 2018

“গাধার খায়েশ”


এক কৃষকের বাড়ীতে
বাঁধা ছিল দড়িতে
গাধা এবং গরু
গল্প হলো শুরু।

দুধ দেয় রোজ গরুতে
খৈল ভুষি খায় চাড়িতে
খায় আর জাবর কাটে
গাধার দু-চোখ টাটে।

গাধার খাটা খাটতে থাকে
চাবুক শপাং পরতে থাকে
গাধার তবু রা নাই
খাটার কথা না নাই।

বলল গরু রাগ করে
ব্যাপারটা কি বলবি রে
খাটিস সারাক্ষণ
পাইলি নাতো মন।

খাবারে নাই কমতি মোর
চামড়া লেগে যাচ্ছে তোর
আছিস তবু কেলিয়ে
যাচ্ছিস নাতো পালিয়ে।

বলল গাধা ও গরুজী
মালিক বদ ও মেজাজী
তবুও আমি খুশি
আপন মনে হাসি।



মালিকের আর কেই আছে
বুড়া আর বুড়ীর সকাশে
সুন্দরী ঐ মেয়েটা
ঐতো চাষার পুরোটা।

সুন্দরী ঐ মেয়েটা
পড়া লেখায় বারটা
পরীক্ষাতে বসলে পরে
প্রতিবারেই ফেল করে।

তার সে ফেলের খবরে
রাগী চাষা রাগ করে
বুড়ী চাষী দাওয়ার পাড়ে
বিড় বিড়িয়ে গাল পারে।

দই দুধ ঘি খাস খালি
পড়ার সময় দেস তালি
পাইলে ফেলের খবরি
কম্ম এবার কাবারি।

পড়ার মতো পড়লে পড়া
চলবে তোমার লেখা পড়া
নইলে পড়া বাদ দিয়া
গাধার লগে দিমু বিয়া।
(তাই)
যতই চাষা রাগ করুক
চাবুক চালাক দোষ ধরুক
মার খাই আর মাল টানি
আশায় আশায় দিন গুনি।

Wednesday, May 16, 2018

আমরা তো নই উতাল হাওয়ার পন্থী

ফিলিস্তিনের মুজাহিদদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা (নিজেদের অক্ষমতার প্রতি ধিক্কার)
সালাম হে বীর তোমাকে। নিজের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে লড়ে গেলে বাতিলের বিরুদ্ধে।
নিশ্চই তোমার স্থান হবে জান্নাতুল ফেরদাউস এ।


 “আমরা তো নই উতাল হাওয়ার পন্থী”
ঝঞ্ঝার ঝুটি শক্ত মুঠিতে ধরা
শপথের বলে বলীয়ান এই প্রাণ
সবুজ ধরা শহীদের খুন রাঙ্গা।।

“আমরা তো নই উতাল হাওয়ার পন্থী”
বিপরীত স্রোতে অনড় দাড়িয়ে রই
বিজলী হাঁকে সাহসের কশাঘাত
উড়াবে নিশান জিহাদের জঙ্গীরাই।।

“আমরা তো নই উতাল হাওয়ার পন্থী”
লোনাজল ঢেউ লুটায় দু পায়ে কাঁদে
কার হাঁকে ঐ কাঁপে বন জংলীরা?
আবার খালেদ খোলা তলোয়ার হাতে।।




Thursday, June 15, 2017

পাগলা হাওয়ার তাল


টুপ টুপা টুপ বৃস্টি পরে
টিনের চালে হাওয়ার তালে
চুপ চুপা চুপ ভিজাল গাঁ
কাক ভেজা তো একেই বলে।

দুষ্ট ছেলে আলসেমীতে
থাকলো মেতে সারা দুপুর
খরতাপের দিনগুলি শেষ
থাক ভোরের আঁধার ভর দুপুর।


মনে বাজা হাজারও সুর
দমকা হাওয়ায় যাচ্ছে উড়ে
আকাশ জোড়া মেঘের নাচন
যাচ্ছে উড়ে অনেক দুরে।

সূয্যি মামার নেইকো দেখা
ভোর দুপুর সাঁঝ একই কথা
গুরুম গুরুম ডাকলে আকাশ
মন ছুটে যায় নদীর ঘাটা।


হায়! সে উদাসী মন কোথায়
মেঘের ডানায় মেঘের ডানায়
বৃষ্টি সুরের ছন্দে-ছন্দে

Tuesday, June 13, 2017

টিপিক্যাল বাংলাদশেী রাজনিতী

ধাঁধা-১

একটা মোরগ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ডিম পারল, সেই ডিমের মালিক কোন দেশ?

টিপিক্যাল বাংলাদশেী রাজনিতীর প্যাচেঁ পরলে এই সাধারন বিষয়টি কেমন হতে পারে??

আসুন দেখি এটা নিয়ে আমাদের কে কি ভাবছেন??


সরকার:
এই সরকার প্রথম থেকেই মোরগের সামাজিক অধিকারের ব্যাপারে সচেতন। মোরগ-মুরগিতে ভেদাভেদ না থাকায় দেশের যেকোনো মোরগ বর্তমানে নিশ্চিন্তে ডিম পাড়তে পারছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় খুব শিগগিরই মোরগের ডিম বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করা হবে। এ দেশকে
‘মোরগের ডিম’-এর দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে আমাদের সরকার বদ্ধপরিকর।

বিরোধী দল:
দেশের জনগণ জানতে চায়, একটা বাংলাদেশি মোরগ কেন সীমান্তে গিয়ে ডিম পারবে?
কারণ, এই সরকারের অত্যাচারে দেশের মোরগ নিজ দেশের মাটিতে ডিম পাড়তে ভয় পায়।
অবিলম্বে দেশের মাটিতে মোরগের ডিম পাড়ার নিরাপত্তা দিতে হবে। না হলে ব্যর্থতার দায়ে এই
তাঁবেদার সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী:
সীমান্তে ডিম পাড়ার ব্যাপারটি আসলে খুবই স্পর্শকাতর। এই ডিমের মালিকানার
ব্যাপারে খুব শিগগিরই বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের ব্যবস্থা করা হবে। আশা করা
যাচ্ছে, সমুদ্রসীমা জয়ের মতো মোরগের ডিম উদ্ধারেও আমরা সফলতা অর্জন করতে পারব।

সুশীল সমাজ: একটা মোরগ, তার মাঝেও আজ দেশপ্রেমের সংকট দেখা যাচ্ছে। নিজের জাতীয়তাবোধ ভুলে গিয়ে সে আজ সীমান্তে গিয়ে ডিম পাড়ছে। এই সামাজিক অবক্ষয় থেকে আমাদের দ্রুত উত্তরণের পথ খুঁজে বের করতে হবে।

মোরগের বক্তব্য:
মনে হচ্ছে, একটি কুচক্রী মহল আমাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে
এ ধরনের মিথ্যাচারের আশ্রয় নিচ্ছে। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, মোরগ ডিম পাড়ে না, ডিম পাড়ে মুরগি।
মূল ঘটনা হচ্ছে, দেশের বাজারে ডিমের সংকট ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আমি সীমান্ত
দিয়ে ডিম পাচার করছিলাম। কিন্তু ভুলক্রমে একটা ডিম সীমান্তে পড়ে গেলে এই ধূম্রজালের সৃষ্টি
হয়।

কি বুঝলেন???  এটা বাংলাদেশ ভাইরে.....

"বর্ষা বানায়"


দোদ্যুল দুল
কানের দুল
আয় বৃষ্টি
কদম ফুল

হাওয়ার বেগ
উড়ছে মেঘ
তাহার চুল
কৃষ্ণ মেঘ

ফুটছে কাশ
স র্ব না শ
জল কাঁদা
খেলছে হাঁস

দুলছে তরু
দুলছে বন
বর্ষা বানায়
দোদ্যুল মন।

Monday, June 12, 2017

আমি মৃত্তিকা



বৃষ্টির কণাগুলো যেন মুক্তার মতো ঝরে
সোদা গন্ধময় ভেজা মাটি
কখনও কি ছুয়েঁ দেখেছ?
যেদিন পত্র-পল্লব ভেঙ্গে বৃষ্টি এলো
থকথকে কাদা লেগেছিল আমার নগ্ন পায়ে
আমি দুহাত বাড়িয়ে সেই মুক্ত কণায় স্নাত হতে-হতে
মৃত্তিকায় মিশে গেয়েছিলাম, আমি মৃত্তিকা
আমার নগ্ন বক্ষে জেগে উঠে লজ্জাবতীর গাছ
আমার নগ্ন পিঠে গজানো ব্যঙ্গের ছাতা
ভেজা ডানা প্রজাপতি পরে থাকে আমার বুকের ঘাসে
আমি মৃত্তিকা বলেই
আমার নগ্ন শরীর জুড়ে