google-site-verification: google7ef4faaf40a2de92.html

Pages

Thursday, October 18, 2018

আমি ছাড়া এখন তুমি


আমি ছাড়া এখন তুমি হয়ত অনেক ভালো আছ
কাজল কালো দু-চোখ এখন
উসলে না আর দিঘীর জলে
হয়ত পাবে সুখের ছোঁয়া
অন্য কারও বুকের ওমে
তোমার আকাশ নীলের মাঝে
উড়ছে ঘুড়ি রঙ্গিন ফানুষ
হালকা হাওয়ার পলকা মেঘে
হৃদয় জুড়ে প্রেমের পরশ
আমি ছাড়া এখন তুমি হয়ত অনেক ভালো আছ
নেই জ্বালাতন টেক্সট টেলিফোন
অপেক্ষা নেই, নেই আলাপন
হয়না দেখা স্মৃতির পাতা
মস্ত কাজে ব্যস্ত ভীষণ
বইয়ের পাতায় শুকনো গোলাপ
বেলীর মালা আপনি ঝরে
মেঘ বৃষ্টির মায়ার সময়
মায়ার মানুষ জড়িয়ে রাখে
আমি ছাড়া এখন তুমি হয়ত অনেক ভালো আছ
একটু নিরব ছায়ার আঁধার
একটু কাছে টানলে ডোড়ে
ওষ্ঠ তোমার খুঁজত অধর
এখন বাঁধে আত্মজারে
প্রেমসাগরে ঢেউ খেলেছে
লুকোচুরির দুপুর বেলায়
এখন অনেক দুপুর আসে
ভাসতে নারি প্রেমের ভেলায়
আমি ছাড়া এখন তুমি হয়ত অনেক ভালো আছ
ডুব সায়রে প্রেম খেলিছে
বাহুর ডোড়ে বুকের ওমে
ভালোবাসার মূর্তি যুগল
আলোর পাশে ছায়ায় কাঁপে
স্মৃতির ডালি রাখছ ঢেকে
গভীর কালোয় পর্দা আঁধার
যাচ্ছ ঘাসের শিশির দলে
রাখছে সেটাও চিহ্ন পথের
আমি ছাড়া এখন তুমি হয়ত অনেক ভালো আছ
হয়ত তুমি অগোচরেই নোনা জলের চিহ্ন মোছ
হয়ত মোটে দাগ কাটে না তোমার আমার গোপন প্রণয়
হয়ত শুধু একাই আমি ভাসছি নিতুই ভালোবাসায়
তুমি শুধু ভালো থেক আমাকে নাই রাখলে মনে
বরং ভালো ভুলেই যেও গোপন প্রণয় নেই যে মানে।


Wednesday, October 17, 2018

ভুলে যাওয়া ঘুম


তবে তুমি ঘুমিয়েছিলে?
বাহ! চমৎকার কি সুন্দর ঘুম
কখনো কখনো তোমার ঘুম হতো না
সারা দিনের সব ক্লান্তি অবসাদ
সব রয়ে যেত রাতজাগা চোখে
ঈষদুষ্ন ললাট আর রক্তাভ কপোল
আয়নায় যেন রাতজাগা ক্লান্তিটাকে
নির্লজ্জের মতো ষ্পষ্ট করে দিত
ঘুম ঘুম ঘুম এক আকাংঙ্কার নাম
সব অবসাদ দূর করতে ঘুম চাই
সব ক্লান্তি দূর করতে ঘুম চাই
সব ভুল ভুলে যেতে ঘুম চাই
তবে তুমি ঘুমিয়েছিলে...
বাহ! চমৎকার !!
ঘুম থেকে উঠে এক শারদপ্রাতে
কি দারুণভাবে সব কথা গান শব্দ স্পর্শ
ঘোর লাগা চোখে চেয়ে থাকা
ঝোঁকের বাসে করা সব ভুলগুলি
ভুলে যেতে পেরেছ তুমি
বাহ! চমৎকার !!
অস্পষ্ট স্বপ্নের মতো শুধু রয়ে গেছে পিছে
বাঁকা বুড়ো আঙ্গুল, খয়েরী রঙ্গের তিল আর
টোল পরা হাসি; নাহ! ভুল হলো বোধহয়!


Monday, October 15, 2018

শৈশব ফিরে আসে


ঘুমের ঘোরে স্বপ্ন এসে বাঁধল বাসা মনে
কি হলো তোর হঠাৎ করে বিরস বদনে
তোর সাথে ছিলাম যখন দুরন্ত সেই দিনে
চাইতি আমায় ফেলতে ছুড়ে বড় হবার টানে
অনেক বড় হয়ে গেছিস সবার উপর মাথা
অনেক কাজের কাজী রে তুই সকাল সন্ধ্যাবেলা
এখন তোর মনের মাঝে কোন অতীতের ছায়া
কোন দুরন্ত দুষ্ট সময় তোর স্বপ্নে ধরে কায়া
তেপান্তরের মাঠগুলি সব খাঁ খাঁ শুন্য মনে
আবার যদি বৃষ্টি জলে হুটোপুটিরা খেলে
আবার যদি আমার ঘুড়ি আকাশ পানে ধায়
মার্বেল লাটিম ডাঙ্গুলিরা প্রাণটা ফিরে পায়
ছোট ছোট দুষ্টুমী আর মায়ের আদরের শাষন
হেরে গেলে খেলায় কোন কাঁদত ভীষণ মন
সেই সে আমার ছোট্ট বেলা আমার ছোট মন
বারে বারেই আসছে ফিরে ঘুম বা জাগরন
বলছে আমায় এখন কেমন চাইতি হতে বড়
হরিয়ে যাওয়া মধুর সময় ফিরবে না যে কারো


তুমি আমার কাছে এসো


যখন তোমার হিয়ার মাঝে
পিয়াস হবে ব্যাকুল
সেই পিয়াসার জলের খোঁজে
তুমি আমার কাছে এসো।

রৌদ্র জ্বলা তাপের বেলায়
ঝড় তুফানের দিনে
উড়িয়ে আঁচল লুটিয়ে ধুলায়
তুমি আমার কাছে এসো।

বর্ষা যখন অঝোর ধারায়
সিক্ত তোমার বসন
জানালা পাশের কদম তলায়
তুমি আমার কাছে এসো।

ছতিম ফুলের ছড়িয়ে সুবাস
শিউলী ভেজা ভোরে
রেশমী কাশের শুভ্র সুহাস
তুমি আমার কাছে এসো।

পাকা ধানের গন্ধে মাতাল
নীলের ভেলা মেঘ
পাখ পাখালীর সুখের সকাল
তুমি আমার কাছে এসো।

ঘুম ভাঙ্গা আলসে সকাল
আবছা কুয়াশাতে ঢাকা
রেশমী চুড়ীর বাজিয়ে ত্রিতাল
তুমি আমার কাছে এসো।

ফুলের বনে রঙ্গের মেলা
মুকল বনে ভ্রমর
ভসিয়ে এবার প্রেমের ভেলা
তুমি আমার কাছে এসো।


Sunday, October 14, 2018

শব্দের চাষবাস

শব্দে কর ভাবের প্রকাশ
শব্দে কর গল্প
গল্প গুজব করার সময়
কেউ করেনা অল্প

শব্দে কথা সাজানো যায়
যায় কাওকে পটানো
একটু জোড়ে শব্দ করলে
লোকে বলে ধমকানো

শব্দ সাথে জুড়লে শব্দ
কাবতা হয় গান
শব্দ আবোল তাবোল হলে
বেসুরো লয় তান

শব্দে জানায় ভালোবাসা
শব্দ জাগায় আশা
মনের গহীন ঘরের কোনে
ভালোবাসার বাসা

বোনের বলা শত শব্দ
মনের সুরে বাজে
বাবার শক্ত বকার শব্দ
চলার শক্তি কাজে

শব্দ হলো ভাষার প্রাণ
শব্দই স্বধীনতা
মায়ের মুখের শব্দতে পাই
সবুজ আঁচল পাতা



Thursday, October 11, 2018

কমলাকান্তের বঙ্গ দর্শন


আমি শ্রী কমলাকান্ত চক্রবর্তী
বঙ্গের বরেণ্য লেখক বঙ্কিম চন্দ্র আমাকে খাতির করিতেন
আমোকে আফিমখোর তিনিই বানাইয়াছিলেন
আজ আপনাদের নিকট কিছুটা আফিম লইতে আসিয়াছি বটে
তবে ফ্রি লইব না, কিছু কথা আমার দপ্তর হইতে বলিয়া যাই
এই একবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশে বড়ই বিচিত্র দেখিতেছি
এখানে মুখ চাপিয়া ধরিয়া বাক স্বাধীনতা দেওয়া হইতেছে
রাজনিতীবিদেরা গাল ভরিয়া উন্নয়নের কথা বলিতেছেন আবার
নির্মানে রডের বদলে সব বাঁশ দেওয়া হইতেছে
বুদ্ধিজীবিগন চেতনার কথা বলিতেছেন বটে
আবার অর্থের বিনিময়ে নিজ চেতনা বিক্রয় করিয়া চলিতেছেন
কবীর সাহেব স্বাধীনতার যুদ্ধের কথা বলিতেছেন আবার
মুরগী ব্যবসার কথা বেমালুম ভুলিয়া যাইতেছেন
কামাল সাহেব রাজাকারের কথা বলিতেছেন আবার
নয় মাস করাচীতে শশুরবাড়ীতে আনন্দে থাকিবার কথা চাপিয়া যাইতেছেন
কলিকাতায় যারা ধুতি পরিয়া ঘুরিয়া বেড়াইতেন তারাই আবার
বাঘা কাদের বা মেজর জলিলকে রাজাকার বানাইয়া দিতেছেন
অপরাধ দূর করিবার গুরুদায়ীত্ব লইয়া দেদারছে নিজেই অপরাধ করিতেছেন
সাংস্কৃতি ও উদারতার বারতা যারা দেন এখানে তারাই
ল্যাংটা হইয়া খেমটা নাচিতেছেন আর গাহিতেছেন
“নাচ মেরে ময়না তুই পয়সা পাবি রে...”
পত্রিকাওয়ালারা নিজেদিগকে জাতির বিবেক বলিয়া প্রচার করিতেছেন আবার
বিবেক বন্ধক দিয়া ক্ষমতা ও টাকার পিছে নিড়ী কুত্তার মতো ছোক ছোক করিতেছেন
শিক্ষাগুরু পদবী ধারণ করিয়া ঘুষ নিয়া ছাত্র ভর্তি করিতেছেন আবার
টাকা চাটিয়া ফল উল্টাইয়া দিয়া সমাজে গরু তৈয়ার করিতেছেন
এত অনর্থ দেখিয়াও গোটা সমাজের আম-জনতা
পাকা আম-জামের মধুর রসে নিজেদিগের মুখ রঞ্জিত করিতেছে
এহন সমাজে আসল আফিম পাইব কিনা তাহাতে আমি গভীরভাবে সন্দেহ পাইতেছি
তবে মনে হইতেছে হেথায় সকলেই অল্প বিস্তর আফিম সেবন করিয়া থাকেন
আমার নিজ দপ্তর হইতে কিছু বলিতে বড় ভয় হইতেছে
পাছে নতুন দন্ডবিধির নিয়মে পরিয়া গড়াদে ঢুকিতে হয় কিনা !!
তাই কিছু আফিম দিয়া আমারে বিদায় করিলে বড় কৃতার্থ হই
পরে অন্য সময় দপ্তর লইয়া না হয় আবার আসিব !


Thursday, October 4, 2018

আরেকটি স্ফুলিংগ দাও আমার কার্তুজে

মাঝে মাঝে ঘোর লাগা স্বপ্নালুতায় ডুবে যাই
ডুবে দেখি হাতে নিয়ে বসে আছি ভোঁতা কলম
অথচ আমার সারা সত্ত্বায় জুড়ে আছে দ্রোহ
কলম ঘসে কি জ্বালা মিটবে?
বুকের ভিতর জ্বলছে প্রচন্ড ভিসুভিয়াস
কেউ আমার কলম কেড়ে নাও
আমার হাতে ধরিয়ে দাও ভারী মেশিনগানের ব্যারেল
আমার বিক্ষিপ্ত নিশপিশে আঙ্গুল খুজেঁ ফেরে ট্রিগার
কি হবে কলম হাতে নিয়ে
সাদা কাগজে কলম ঘসে ঘসে
তৃতীয় বিশ্বের এক অথর্ব কলমবাজ
কি বা পরিবর্তন করতে পারে?
শুধু কথায় কথায় অসীর চেয়ে মসী শক্তিশালী !!
হাহ! আর হাসিও না!
একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় বিশ্বের মানুষ
যতটা মিসাইল চেনে কলম ততটা নয়
মেশিনগান মিগ সুখই বা এফ প্রতিদিন অগ্নি বমন করছে
নিশানা নিচ্ছে মিসাইল, এন্টি এয়ারক্রাফ্টগুলি আগুন মুখো
আর ভোতা কলমগুলি থেকে ঝরছে কালি
তবুও কালি যদি লাল হতো! মানুষের রক্তের স্রোত
ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে জনপদ থেকে জনপদ
দোহাই কলম আর কালি নয়! রক্ত উদগীরণ করো!
তোমার নিব হয়ে উঠুক লক্ষভেদী মিসাইল
এন্টি এয়ারক্রাফ্ট আইসিবিএম
একটি একটি শব্দ বিষ্ফোরিত হোক ডিনামাইটের মতো
অন্যায় অবিচার আর অত্যাচারীর বুকের উপর
তীব্র আঘাত হানো বাংকার বিদ্ধংসী বোমার মতো
হুইটজারের মতো অগ্নি উদগীরন করো
শয়তানের প্রসাদ ভাঙ্গা মস্তক নিয়ে যখন কাতর প্রার্থনা করে
তুমি বধির হও আর কোন প্রার্থনায় মার্জনা ভিক্ষে হবে না
ভাঙ্গা প্রসাদের উপর তুমি অগ্নিময় রেতপাত করো
ধ্বংস করে দাও! চেঙ্গিস খানের মতো তুমিও হও খুনের বুভুক্ষ
স্বপ্ন ছুটে গেলে শুধুই কি থেকে যাবে
হাতের কলম ভিসুভিয়াসের মৃত জ্বালামুখ
জ্বলন্ত একাত্তরের মতো আর একবার কি জ্বলে উঠবো না
ফিরে এস একাত্তর ফিরে এস হৃদয়ে আবার
নিয়ে আস জমা দেয়া হাতিয়ার বারুদ ভাঙ্গিা থ্রি নট থ্রি
আরেকটি স্ফুলিংগ দাও আমার কার্তুজে।

আউলা বাতাস বাউলা টানে


আউলা বাতাস বাউলা টানে
উড়ায় তোমার কেশপাশ
উতাল নদীর বেতাল ঢেউয়ে
ছাড়িসনা নাও সর্বনাশ

নদীর পাড়ে আউলা বেশে
কোন উদাসী প্রতীক্ষায়
তার আলুথালু মলিন নয়ন
শুকালো প্রেম পীয়াসায়

পীত বসনায় রূপ ঝিয়ারী
উথলানো প্রেম বাসনা
আঁখির তারায় নাচে রুপসী
হাওয়ায় উড়ায় বসনা

বাউলা বাতাস আউলা করে
প্রেম যমুনার ঘাটে
অবশ হিয়ার বিবস সোহাগ
প্রনয়ে ঢেউ তোলে।

Wednesday, October 3, 2018

অভ্র দিয়ে লেখার জন্য খুটিনাটি

যারা ইন্টারনেট এ ব্লগে ফেসবুকে লেখালেখি করেন তাদের অভ্রতে লিখতে হয়। তাদের জন্য আমার এই
ক্ষুদ্র প্রয়াস.

ক=k           খ=kh            গ=g                   ঘ=gh                   ঙ=Ng
চ=c            ছ=ch            জ=j                   ঝ=jh                    ঞ=NG
ট=T           ঠ=Th            ড=D                  ঢ=Dh                   ণ=N
ত=t           থ=th              দ=d                   ধ=dh                    ন=n
প=p           ফ=f,ph         ব=b                    ভ=v,bh                ম=m 
য=z            র=r               ল=l                    শ=sh,S                ষ=Sh 
স=s            হ=h              ড়=R                  ঢ়=Rh                   য়=y,Y 
ৎ=TH/t``(``১ এর বা পাশে double click)
 ং=ng
 ঃ=:
 ঁ=qq/^ 

অ=o         আ,া=a
ই, ি=i      ঈ, ী=I 

উ, ু=u      ঊ, ূ=U 
ঋ, ৃ=rri    এ, ে=e
ঐ, ৈ=oi    ও, ো=O 

ঔ, ৌ=OU

ব(ফলা) দায়িত্ব=w  

য(ফলা)ব্যয়=y,Z 
র(ফলা) ব্জ্র=(c)r-ব্জ্রbj(c)r
রেফ(যেমন-কর্মকার)=(v)rr(c)-কর্মকারko(v)rr(c)mokar
 ্(হসন্ত)=hs/,, (double coma) 

যুক্ত বর্ণঃ ক্ষ(কপোতাক্ষ)=kSh/
kkh• হ্ম(ব্রহ্মপুত্র)=hm 

ঞ্জ(ব্যঞ্জন)=NGj or nj 
ঞ্ছ(মনোবাঞ্ছনা)=NGch or nch 
ঞ্ঝ(ঝঞ্ঝা)=NGjh or njh• 
ঙ্ক(পালঙ্ক)=nk 
ঙ্গ(পতঙ্গ)=ng or Ngg 
ণ্ড(ঠাণ্ডা)=ND
ষ্ণ(তৃষ্ণা)=SHN
ঞ্চ(সঞ্চয়)=NGc or nc 

জ্ঞ(বিজ্ঞান)=jNG or gg