google-site-verification: google7ef4faaf40a2de92.html

Pages

Thursday, September 13, 2018

পথের পথিক


পথের মাঝে ঘুরে ঘুরে
করছ সময় অপচয়
সময় গেলে হাজার খুঁজেও
পাবেনা তার পরিচয়

এখন তোমার সবাই আছে
বন্ধু স্বজন অগনতি
আঁধার পথে হাতের কাছে
মিলবেনা ধুপ মোমবাতি

এখন তোমার শক্তি ভীষণ
অর্থ বিত্ত বৈভবে
বন্ধু আসে দুধের মাছি
সেই মধুরই সৌরভে

ভগ্নদেহ ছিন্ন বসন অন্ধকারে
থাকবে পরে বিষন্নমন
দুধের মাছি আসবে না আর
কাঁদবে দুচোখ নিজেরইমন

পথের মাঝে ঘুরে ঘুরে
পথ হয়েছে বাড়ী
পথই হবে সবচেয়ে আপন
চিনতে যদি পারি

তাইতে বলি থাকতে সময়
হুশিয়ার হও মনা
আপনাতে হও আপনি স্নাত
আপনারে চাই জানা।

একটু হাসুন মন খুলে

এক জেলার কোন একটি মামলায় সাক্ষী হিসাবে সেফালী খালার ডাক পড়েছে।

আসনে হাকীম সমাসীন প্রস্তুত বাদী ও বিবাদী পক্ষের উকিল।

বাদীপক্ষের উকিল সুমন, সেফালী খালাকে অপ্রস্সুত করার জন্য প্রথমেই জিজ্ঞাস করলেন – “আমাকে চেনেন?

সেফালী  খালা বললেন- “ওমারে মা !!! কেন চিনব না? তুমি সুমন না। তোমাকেতো সেই ল্যাংটা বয়স থেকে চিনি আমি। মিথ্যা কথা বলতে আর লোক লোক ঠকানোয় ওস্তাদ লোক তুমি। গলি ঘুপচি দিয়ে ঘোরাঘুরি করতে সে কথা ্রোআর নাই বললাম। বখে যাওয়া ছেলে ছিলে। যদিও তোমার কানাকড়ির যোগ্যতা ছিল না তবুও নিজেকে মস্ত কেউকেটা ভাবতে। আর বলছ তোমাকে চিনি কি না? কলিকাল !!

সুমন হতভম্ব হয়ে গেলেন। ভেবেই পাচ্ছিলেন না কি বলবেন। কোর্ট ঘরের অপর প্রান্তে বিবাদী পক্ষের উকিল শরীফ এর দিকে দেখিয়ে বললেন – “ও না ইয়ে মানে !! ওম মানে !! উনাকে চেনেন?

সেফালী খালার উত্তর- “তৌবা-তৌবা !! ওতো শরীফ। খুব ভাল করে চিনি। অসভ্য অলস অকর্মণ্য। কারো সাথে সদ্ভাব রেখে চলতে পারে না। পাঁড় মাতাল কাহিকেঁ। ও উকিল না পিশাচ !! বিয়ে করা বৌয়ের চোখে ধুলো দিয়ে তিনটে ছুঁড়ির সাথে ফষ্টিনষ্টি করে। তার মধ্যে একজন তোমার বৌ। ওকে ছোট থেকেই চিনি”!!

বিবাদী পক্ষের উকিল রিতিমত অসুস্থ বোধ করতে লাগলেন ঘেমে একাকার ষ্ট্রোক-ফিষ্ট্রোক করে বসে আরকি অবস্থা !!

এমন সময় এজলাস থেকে জজ সাহেব দুই পক্ষের উকিলকে ডাকলেন। উকিলদ্বয় কাছে যাবার পর খুব নিচু গলায় শান্ত ভাবে জজ সাহেব বললেন (তারও কপাল ঘেমে গেছে দেখা যাচ্ছে )

“তোমরা দুই গর্দভের একজনও যদি ওই মহিলাকে আমায় চেনে কিনা সেই প্রশ্ন করো, তাহলে তোমাদের দুইজনকে আমি ফাঁসিতে চড়াব”!!

সংগৃহীত:

যে হাসি নিত্য নিখাদ

যে হাসি নিত্য নিখাদ
মুহুর্তে ভুলায় বিষাদ
সেই হাসি ফুটালে যে ভাই
তোমার সেবার সীমা থাকতে পারে
এই হাসির সীমানাতো নাই
অল্পে তুষ্ট মন
এভাবেই হাসে আজীবন
সাধ আর সাধ্যের সমন্বয়ে
এভাবেই হাসায় ক'জন?
গরিবের দুখে কাঁদে যার বুক
সেবা করে সেই পায় সীমাহীন সুখ।


কবিঃ কুতুব উদ্দিন জালাল


পরিবর্তন

জানালা খুল্লেই দখিনা হাওয়া,
জানালা খুল্লেই মেহগনি বন।
ভালোবাসি ঘরময় বাতাসের আসা যাওয়া,
তবুও জানালা আর খুলিনা এখন।।



কেন যে এমন হলো, কেন যে এমন হয়?
সময়ের হাত ধরে বদলে জীবন,
জীবনের হাত ধরে বদলে সময়।

শুধু হৃদয়ের কোনে, কারনে অকারনে,
কিছু স্মৃতি ফুল হয়ে ফোটে।

কিছু প্রিয় গান, কিছু কবিতার কথা
আগের মতই বার বার ফিরে আসে ঠোঁটে।
সময় বদলে যায়, বদলায় মানুষের মন।
হৃদয় কষ্ট পায়, তবু নাকি এটাই জীবন।।

কবিঃ কুতুব উদ্দিন জালাল


Tuesday, September 11, 2018

মহররম অনুকাব্য


১.
মোহররমে হিজরী শুরু হয়
পবিত্র আর ভীষণ পূণ্যময়
সম্মনিত চারটি মাসের মাঝে
মোহররমই প্রথম হয়ে আসে
আশুরা দিন মিলবে এ মাসে
রাখো রোজা সে পুণ্য দিবসে
বছরব্যাপী পাপের সমাহার
করবে রোজা পুড়িয়ে ছারখার।

২.
মহররম বলছে ডেকে ত্যাগের দিকে
বাড়াও জোড় কদম
ত্যাগটা কঠিন, ভন্ড বলে তাই
করো শুধু মাতম।

৩.
আজও সকল সীমারেরা
খড়গ হাতে ঘোরে
তাই বলে কি ঈমামেরা
সত্য হতে ফেরে

৪.
পুণ্য খুনে লাল হলো দেখ
কারবালার প্রান্তর
বসরাই গোলাপ সে খুন পিয়ে
লাল করে অন্তর













৫.
হায় হাসান হায় হোসেন
মাতম বন্ধ করো
শহীদ তারা যে কারনে
সে কাজটাই করো


৬.
কারবালা ভীম রণে যুদ্ধের দামামা
ফোরাতের তীর রাঙ্গা রক্তের লালিমা
শত বীর লড়ে যায় তলোয়ার চমকায়
মাটিতে লুটায়ে শির আমামা উপরে রয়

Monday, September 10, 2018

সূরা আল ফুরকান, আয়াত ৬৩ কাব্যানুবাদ


রহমান এর বান্দা মাঝে
তারাই বান্দা খাটিঁ
বিনয় নম্র চলাফেরায়
ঠিকটি যেন মাটি
অজ্ঞ এবং মূর্খ লোকে
তর্ক করার তরে
আসলে তারা সালাম দিয়ে
দূরে সরে থাকে।
(সূরা আল ফুরকান, আয়াত ৬৩)

স্মৃতির ঠাস বুননে স্বপ্নের চাষ


এদিক ওদিক তাকিয়ে কি খুঁজছিস
আমি তোকে বলেছিলাম
কোন একদিন আমরা হারিয়ে যাব
হাহা করে হেসেছিলি তুই!
যেন আমরা সত্যিই কোনদিন হারাতে পারি না
আজ দেখ! খুব মনে করে দেখ
স্তব্ধ কোন সন্ধ্যার বৃষ্টিতে আমরা মূক ও মৌন
আমাদের অতৃপ্ত আত্মার ক্রন্দন ধ্বণি
গুমড়ে উঠছে যেন পিরামিডের ভিতর আত্মার শ্বাস
হৃদয়ের আবেগগুলি বাঁধা আছে অদৃশ্য তন্ত্রীতে
তড়িতাহতের মতো মাঝে মাঝে কি কেঁপে উঠে
স্মৃতির ঠাস বুননে আজ চাপা আছে
আমাদের অবিরল অবদমিত ইচ্ছেগুলি
তবুও স্বপ্নবুনি! স্বপ্নেরা খেলা করে গহীন কন্দরে
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আবেগ খামারে চাষ করে স্বপ্ন বানাই
সেই স্বপ্ন খুঁজছিস তুই? 
তবে আয়, স্বপ্ন গেঁথে গেঁথে সম্ভাবনা বানাই।


Sunday, September 9, 2018

নিজের তোকে ঘা দিবি

ওরে বোকা
খাচ্ছ ধোঁকা
শুনছ নেতার
ভাষন টি
বকবকিয়ে
খাচ্ছে গিলে
তোমার মাথার
মগজ টি

যাচ্ছে বলে
সমান তালে
আবোল তাবোল
যাচ্ছে তাই
দিচ্ছে সবই
সুখের কাঠি
মত্ত মাদল
বাজছে তাই

তোমার মনের
ফুল বাগানে
বাজিয়ে দিয়ে
সুখের বীণ
নিচ্ছে কেড়ে
আড়াল করে
তোমার সকল
দিন রঙ্গিন

তাইতে বলি
ওই অভাগা
আর কতকাল
ঘুম দিবি
উঠবি জেগে
এবার থেকে
নিজের তোকে
ঘা দিবি।


ঢাকায় নাকি উড়ছে টাকা

ঢাকায় নাকি উড়ছে টাকা
আকাশ বাতাস জুড়ে
তাইতো আমি এলাম তেড়ে
লঞ্চ বাসে রেলে।

দেখছি ঢাকায় খুঁজছি টাকা
পাচ্ছি নাতো খোঁজ
আমার মতোই হাজার পাগল
ঘুরছে হররোজ।

টাকার পিছে ঘুরছে সবাই
নেশার ঘোর লাগা
টাকায় ঘুম টাকায় স্বপন
টাকায় বাঁচা মরা।

সৎ-অসতের ধার না ধারে
টাকা আমার চাই
চোর পুলিশ বা চাকরীজিবী
বিভেদ কোন নাই।

সবার টাকাই আমার টাকা
কে বলেরে পাপ
টাকাই আমার জীবন মরন
টাকাই আমার বাপ।

কোথায় ঢাকায় টাকা উড়ে
সত্য এটা নয়
টাকার জন্য জীবন মরন
জীবন এটা নয়।

সূরা ছফ আয়াত ৮ অনুবাদ


ইবলিসে চায়
খোদারই নুর নিভিয়ে দিতে
ফুৎকারে
আল্লাহ বলেন
জ্বলবে আলো সকল আঁধার
দূর করে
(সূরা ছফ আয়াত ৮)