এক জেলার কোন একটি মামলায় সাক্ষী হিসাবে সেফালী খালার ডাক পড়েছে।
আসনে হাকীম সমাসীন প্রস্তুত বাদী ও বিবাদী পক্ষের উকিল।
বাদীপক্ষের উকিল সুমন, সেফালী খালাকে অপ্রস্সুত করার জন্য প্রথমেই জিজ্ঞাস করলেন – “আমাকে চেনেন?
সেফালী খালা বললেন- “ওমারে মা !!! কেন চিনব না? তুমি সুমন না। তোমাকেতো সেই ল্যাংটা বয়স থেকে চিনি আমি। মিথ্যা কথা বলতে আর লোক লোক ঠকানোয় ওস্তাদ লোক তুমি। গলি ঘুপচি দিয়ে ঘোরাঘুরি করতে সে কথা ্রোআর নাই বললাম। বখে যাওয়া ছেলে ছিলে। যদিও তোমার কানাকড়ির যোগ্যতা ছিল না তবুও নিজেকে মস্ত কেউকেটা ভাবতে। আর বলছ তোমাকে চিনি কি না? কলিকাল !!
সুমন হতভম্ব হয়ে গেলেন। ভেবেই পাচ্ছিলেন না কি বলবেন। কোর্ট ঘরের অপর প্রান্তে বিবাদী পক্ষের উকিল শরীফ এর দিকে দেখিয়ে বললেন – “ও না ইয়ে মানে !! ওম মানে !! উনাকে চেনেন?
সেফালী খালার উত্তর- “তৌবা-তৌবা !! ওতো শরীফ। খুব ভাল করে চিনি। অসভ্য অলস অকর্মণ্য। কারো সাথে সদ্ভাব রেখে চলতে পারে না। পাঁড় মাতাল কাহিকেঁ। ও উকিল না পিশাচ !! বিয়ে করা বৌয়ের চোখে ধুলো দিয়ে তিনটে ছুঁড়ির সাথে ফষ্টিনষ্টি করে। তার মধ্যে একজন তোমার বৌ। ওকে ছোট থেকেই চিনি”!!
বিবাদী পক্ষের উকিল রিতিমত অসুস্থ বোধ করতে লাগলেন ঘেমে একাকার ষ্ট্রোক-ফিষ্ট্রোক করে বসে আরকি অবস্থা !!
এমন সময় এজলাস থেকে জজ সাহেব দুই পক্ষের উকিলকে ডাকলেন। উকিলদ্বয় কাছে যাবার পর খুব নিচু গলায় শান্ত ভাবে জজ সাহেব বললেন (তারও কপাল ঘেমে গেছে দেখা যাচ্ছে )
“তোমরা দুই গর্দভের একজনও যদি ওই মহিলাকে আমায় চেনে কিনা সেই প্রশ্ন করো, তাহলে তোমাদের দুইজনকে আমি ফাঁসিতে চড়াব”!!
সংগৃহীত:
আসনে হাকীম সমাসীন প্রস্তুত বাদী ও বিবাদী পক্ষের উকিল।
বাদীপক্ষের উকিল সুমন, সেফালী খালাকে অপ্রস্সুত করার জন্য প্রথমেই জিজ্ঞাস করলেন – “আমাকে চেনেন?
সেফালী খালা বললেন- “ওমারে মা !!! কেন চিনব না? তুমি সুমন না। তোমাকেতো সেই ল্যাংটা বয়স থেকে চিনি আমি। মিথ্যা কথা বলতে আর লোক লোক ঠকানোয় ওস্তাদ লোক তুমি। গলি ঘুপচি দিয়ে ঘোরাঘুরি করতে সে কথা ্রোআর নাই বললাম। বখে যাওয়া ছেলে ছিলে। যদিও তোমার কানাকড়ির যোগ্যতা ছিল না তবুও নিজেকে মস্ত কেউকেটা ভাবতে। আর বলছ তোমাকে চিনি কি না? কলিকাল !!
সুমন হতভম্ব হয়ে গেলেন। ভেবেই পাচ্ছিলেন না কি বলবেন। কোর্ট ঘরের অপর প্রান্তে বিবাদী পক্ষের উকিল শরীফ এর দিকে দেখিয়ে বললেন – “ও না ইয়ে মানে !! ওম মানে !! উনাকে চেনেন?
সেফালী খালার উত্তর- “তৌবা-তৌবা !! ওতো শরীফ। খুব ভাল করে চিনি। অসভ্য অলস অকর্মণ্য। কারো সাথে সদ্ভাব রেখে চলতে পারে না। পাঁড় মাতাল কাহিকেঁ। ও উকিল না পিশাচ !! বিয়ে করা বৌয়ের চোখে ধুলো দিয়ে তিনটে ছুঁড়ির সাথে ফষ্টিনষ্টি করে। তার মধ্যে একজন তোমার বৌ। ওকে ছোট থেকেই চিনি”!!
বিবাদী পক্ষের উকিল রিতিমত অসুস্থ বোধ করতে লাগলেন ঘেমে একাকার ষ্ট্রোক-ফিষ্ট্রোক করে বসে আরকি অবস্থা !!
এমন সময় এজলাস থেকে জজ সাহেব দুই পক্ষের উকিলকে ডাকলেন। উকিলদ্বয় কাছে যাবার পর খুব নিচু গলায় শান্ত ভাবে জজ সাহেব বললেন (তারও কপাল ঘেমে গেছে দেখা যাচ্ছে )
“তোমরা দুই গর্দভের একজনও যদি ওই মহিলাকে আমায় চেনে কিনা সেই প্রশ্ন করো, তাহলে তোমাদের দুইজনকে আমি ফাঁসিতে চড়াব”!!
সংগৃহীত:
