ধাঁধা-১
একটা মোরগ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ডিম পারল, সেই ডিমের মালিক কোন দেশ?
টিপিক্যাল বাংলাদশেী রাজনিতীর প্যাচেঁ পরলে এই সাধারন বিষয়টি কেমন হতে পারে??
আসুন দেখি এটা নিয়ে আমাদের কে কি ভাবছেন??
সরকার:
এই সরকার প্রথম থেকেই মোরগের সামাজিক অধিকারের ব্যাপারে সচেতন। মোরগ-মুরগিতে ভেদাভেদ না থাকায় দেশের যেকোনো মোরগ বর্তমানে নিশ্চিন্তে ডিম পাড়তে পারছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় খুব শিগগিরই মোরগের ডিম বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করা হবে। এ দেশকে
‘মোরগের ডিম’-এর দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে আমাদের সরকার বদ্ধপরিকর।
বিরোধী দল:
দেশের জনগণ জানতে চায়, একটা বাংলাদেশি মোরগ কেন সীমান্তে গিয়ে ডিম পারবে?
কারণ, এই সরকারের অত্যাচারে দেশের মোরগ নিজ দেশের মাটিতে ডিম পাড়তে ভয় পায়।
অবিলম্বে দেশের মাটিতে মোরগের ডিম পাড়ার নিরাপত্তা দিতে হবে। না হলে ব্যর্থতার দায়ে এই
তাঁবেদার সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী:
সীমান্তে ডিম পাড়ার ব্যাপারটি আসলে খুবই স্পর্শকাতর। এই ডিমের মালিকানার
ব্যাপারে খুব শিগগিরই বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের ব্যবস্থা করা হবে। আশা করা
যাচ্ছে, সমুদ্রসীমা জয়ের মতো মোরগের ডিম উদ্ধারেও আমরা সফলতা অর্জন করতে পারব।
সুশীল সমাজ: একটা মোরগ, তার মাঝেও আজ দেশপ্রেমের সংকট দেখা যাচ্ছে। নিজের জাতীয়তাবোধ ভুলে গিয়ে সে আজ সীমান্তে গিয়ে ডিম পাড়ছে। এই সামাজিক অবক্ষয় থেকে আমাদের দ্রুত উত্তরণের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
মোরগের বক্তব্য:
মনে হচ্ছে, একটি কুচক্রী মহল আমাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে
এ ধরনের মিথ্যাচারের আশ্রয় নিচ্ছে। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, মোরগ ডিম পাড়ে না, ডিম পাড়ে মুরগি।
মূল ঘটনা হচ্ছে, দেশের বাজারে ডিমের সংকট ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আমি সীমান্ত
দিয়ে ডিম পাচার করছিলাম। কিন্তু ভুলক্রমে একটা ডিম সীমান্তে পড়ে গেলে এই ধূম্রজালের সৃষ্টি
হয়।
কি বুঝলেন??? এটা বাংলাদেশ ভাইরে.....