google-site-verification: google7ef4faaf40a2de92.html

Pages

Tuesday, August 7, 2018

“থিসিস বিড়াম্বনা”



"দৃশ্য ১: বনের মধ্যে চমৎকার রৌদ্রোজ্জ্বল এক দিন। খরগোশটি তার নিজের গর্ত থেকে বের হয়ে কম্পিউটার                 চালু করে, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ওপেন করে, টাইপ করতে লাগল। হাঁটতে বেরিয়ে খরগোশকে দেখে                   পা টিপে টিপে তার কাছে আসল এক শেয়াল। 

শেয়াল: [থাবা বের করে ধূর্ত হাসি দিয়ে] কী করছিস তুই

খরগোশ: থিসিস লিখছি আমার, আগামী পরশু জমা দিতে হবে। 

শেয়াল: [তাচ্ছিল্যভরে] অ! তা কীসের থিসিস






খরগোশ: ওহ, আমার থিসিসের বিষয় হচ্ছে "খরগোশরা কীভাবে শেয়ালদের খায়!"

                [বিশাল নিরবতা নেমে আসে কথোপকথনে]



শেয়াল: লিখলেই হলো! গুলতানির আর জায়গা পাস না। যেকোনো গাধাও জানে খরগোশরা কখনো শেয়াল 
              খায় না।

খরগোশ: অবশ্যই খায়। আমি প্রমাণ দেখাচ্ছি, এসো আমার সাথে ।

খরগোশ ও শেয়াল খরগোশের গুহায় ঢুকে যায়। কয়েক মিনিট পর শুধু খরগোশ ফিরে আসে, তারপর আগের মতো ওয়ার্ডে লিখতে থাকে।

দৃশ্য ২: একটু পর গুহার কাছে আসে নেকড়ে। খরগোশের লেখা দেখে খুব কৌতূহল জাগে তার।

নেকড়ে: কী লিখছিস রে

খরগোশ: "খরগোশরা কীভাবে নেকড়ে খায়", তার উপর একটা থিসিস করছি।

নেকড়ে: [অট্টহাসিতে ফেটে পড়তে পড়তে] এ রকম রাবিশ একটা জিনিস নিশ্চয়ই পাবলিশ করার চিন্তা                          করছিস না তুই! নাকি চিন্তা করছিস

খরগোশ: রাবিশ না, আমার সাথে এসে দেখে যাও।

দুজনে ঢুকে পড়ে খরগোশের গর্তে, এবং আগের মতোই শুধু খরগোশ ফিরে আসে খানিক পর, মন দেয় থিসিস লেখায়।

দৃশ্য ৩: খরগোশের গুহা। এক কোণায় দেখা যায় শেয়ালের হাড়ের স্তুপ পড়ে আছে, অন্য কোণায় নেকড়ের                  হাড়ের স্তুপ। আরেক কোণায় বিশালদেহী এক সিংহ বসে বসে দাঁত খিলাচ্ছে।

নৈতিক শিক্ষা: থিসিসের বিষয়বস্তু হিসেব তুমি কী নির্ধারণ করেছ, তা কোনো ব্যাপার নয়। তথ্য-উপাত্তের                                 জন্য কোন পদ্ধতি অবলম্বন করেছ, তাও কোনো ব্যাপার নয়। আসল ব্যাপার হলো,তোমার                                  থিসিস সুপারভাইজর কে? "


Monday, August 6, 2018

“হতাশার ইশতেহার”


আর ভালো লাগে না
সত্যি আর ভালো লাগে না
বিশ্বাস করুন ! একদমই ভালো লাগে না।
এই জনপদের মানচিত্রে বহু রক্তের দাগ
অসংখ্য ছোপ-ছোপ রক্ত
জমে কালশে হয়ে মুখ ব্যদান করে চেয়ে আছে
অসংখ্য যুদ্ধের স্মৃতি, হত্যা, মৃত্যু আর ধ্বংস।
ধ্বংসস্তুপ থেকে ভেসে আসা, পঁচা লাশের গন্ধ,
কাঁটাতারে ঝুলতে থাকা কিশোরী বোনের লাশ,
ছেঁড়া সীমানায় খুবলে খাওয়া ভাইয়ের মৃতদেহ,
ধর্ষিতা বোনের আহাজারী, বাবার বোবা চোখ
মায়ের কান্না নির্লজ্জ্ দক্ষতায় লুকিয়ে 
আমরা বসে যাই টিভির সামনে।
পাশবিক নগ্ন উল্লাসে টুকরো টুকরো করতে চাই
পড়শী মানুষ, বন্ধু স্বজন এমনকি পাড়ার কুকুরও।
কিন্তু এভাবে কত দিন মাস বছর কাটবে বলুন ?
ক্লান্ত শ্রান্ত লাগে না ?
হতাশ ও কি হও না ?
প্রজন্ম তো হাত বাড়িয়েছিল
একবার নয়! বার-বার বার-বার
আমাদের তো কথা ছিল আড়মোড়া ভেঙ্গে
পাথুরে দেয়াল ভেদ করে
তৃতীয় বিশ্বের অসহ্য দারিদ্র
আর বঞ্চনা পায়ে ঠেলে উঠে দাড়ানোর !
আমরা তো পারছি না, কিন্তু কেন ?
আমাদের আড্রিনালিন ফুরিয়ে যাচ্ছে
সিনেমায়, খেলার মাঠে, হয়তবা তাও না
টিভির সামনে বসে বা ফেসবুকেই শেষ
তাই কি চাও? সত্যিই কি সেটাই চাচ্ছ তোমরা
বেশ ! তবে তাই হোক !
দেশ ভাড়মে যাক, হীরক রাজার জয়ধ্বণি
ঘোষিত হোক দিক থেকে দিগন্তে
আস সবাই ক্রিকেট খেলি।
বাচ্চালোক !! তালিয়া বাজাও !!!


“দূরাগত সুর”

মেঘের পালক চাঁদের নোলক
কাগজের খেয়া ভাসছে
বুক ধুকপুক্ চাঁদপানা মুখ
চিলেকোঠা থেকে হাসছে

পা টিপটিপ বুক ঢিবঢিব
চোরাচোরা চোখে চাইছে
জানালার ঝুল ভেজাভেজা চুল
টুপটুপ জল ঝরছে
  
হিমহিম জল মরালীর দল
টুপটুপ ডুব মারছে
ভীরুভীরু বুকে দূরাগত সুরে

Thursday, August 2, 2018

“হর্ষে বিস্বাদ”




হাহা করো কিংবা হেহে
হিহি কিংবা হোহো
আনন্দ পায় হাসিতে ভাই
হর্ষে বিস্বাদ কেহ

হাসতে কারো নাইতো মানা
হাসতে থাকো সুখে
সব হাসিতো এক মানে না
সবার মুখে মুখে

হাসি আছে মানুষ ছাড়াও
আরও প্রণীর জানা
মানূষ মতো দেখতে মানুষ
তার হাসিতে হায়েনা

হীরক রাজা হাসছে ভারি
সঙ্গে সান্ত্রী মন্ত্রী
পড়ছে যারা গাড়ীর চাপায়
আজ তারাই ষড়যন্ত্রী !!?

মরছে আমার ছেলে মেয়ে
মরছে আমার ভাই
মারছে যারা তাদের বালি

Monday, July 30, 2018

“যুগের মীর-জাফর”

 


কে দেয় ফাপড়? 
তার নাম জাফর? 
কোন মীরজাফর? 
চুলেরই ফাপড় !!!!! 

যুদ্ধের বিউগল 
চারদিকে শোরগোল 
ট্রেঞ্চ করে বীরবল 
কমান্ড খাটেরতল !!!!! 


একদিন অবশেষে 
লাল সবুজে মিশে 
যোদ্ধারা বীরবেশে 
স্বাধীন বাংলাদেশে 

আলোয় আলোয় দিন
 দেশ নয় পরাধীন
 কেন তবে সংগীন
 ট্রেঞ্চে কাটাব দিন? 

স্বাধীন এই দেশে হায়
 যোদ্ধারাই অসহায়
 জাফরেরা মোছ তায়

“সোনা নয় তত খাটিঁ”


সোনা সোনা সোনা 
লোকে বলে সোনা 
সোনা নয় তত খাঁটি
রাখো যদি সোনা ব্যাংকের ভল্টে 
অচিরে হবে তা মাটি.... 


সোনার খনি তো এদেশেতে নাই 
দেখো বিমানের টয়লেট খানা 
রে হাঁদা ভোঁদা ও পাগলা কানাই 
বাক্স ভরে উঠে কাঁচা খাঁটি সোনা 

কারবারি আর চোরাকারবারি 
হাতে হাত ধরে আছে 
আমলা কামলার লাগে ভরি ভরি 
যতনে তুলে নে বেছে 

মালেরে আগেই দেয়া আছে মাল 
সোনা তো হবেই মাটি
টাকের ঢাকে বাজছে ত্রিতাল 
বোগাস ও রাবিশই খাঁটি

তাই........................
সোনা সোনা সোনা 
লোকে বলে সোনা 
সোনা নয় তত খাঁটি
রাখো যদি সোনা ব্যাংকের ভল্টে 

Sunday, July 29, 2018

“শ্রাবণ দিনে”


শ্রাবণ দিন
বৃষ্টি হীন
বাজছে বীণ
ছন্দ হীন
স্তব্ধ রাত
ধরছে হাত
কাটছে নির্ঘুমে কি ?

নিদাঘ দুপুর
শান্ত পুকুর
আমের ভেপুর
বাজছে সুর
এই অবেলা
ভাসিয়ে ভেলা
হারাতে মন চাচ্ছে কি?

মন বীণা
হয় উন্মনা
বাজছে কিনা
তাধিন ধিনা
দোপাটি কদম
মেঘের মাতম
শাওন ওই গগনে কি?

ঝরবি অঝোর
কঠিন পাথর
বুকের পাঁজর
ভিজিয়ে ঝর
কবিতার বই
মনেরই ভুঁই
জলে থইথই ডুবছে কি?


Tuesday, July 24, 2018

"আমার খুকী"

ছোট্ট খুকী টুনটুনি
দুষ্টুমীতে চুলবুলি
করে এমন খিলখিলি
দুষ্ট মেয়ের দুষ্টুমী।।

হাসতে হাসতে হাত বাড়ায়
সাধ্যটা কার চোখ ফেরায়
ছোট্ট গালে টোল পরায়
চেয়েই থাকি মুগ্ধতায়।।

ছোট্ট খুকী তাল বলে
আধো আধো বোল বলে
সেই সুমধুর সুর তালে
হৃদয় ভেঙে যায় গলে।।

চুমুতে তার মুখ ভরে
আসলো আলো মোর ঘরে
কোন সুদূরের কোল ছেড়ে
আমার কোলে আসলিরে।।

“স্বপ্ন জাহাজ”


নদীর বুকে ঢেউয়ের কােলে

নৌকা জাহাজ ভাসে

জাহাজ ভরা স্বপ্ন নিয়ে

ঢেউ ভেঙ্গে সে চলে।


স্বপ্ন চলে স্বপ্ন চলে

অপার চেয়ে রই

আমার চােখের তারায় তারায়

তোরই রূপের খই।


তােরেই খুঁজি ঢেউয়ের তালে

তােরই খুঁজি জলে

তােরেই দেখি হাত বাড়ানো

পাথর সময়



সময় যে থেমে আছে
তুমি নাই কাছেকাছে
আকােশ মেঘ জমেছে
মনেরও মন খারাপ।।



তাই হাত খুঁজছে পাশে
তোমার ঐ মেঘলা কেশে
আবির রং যেন সে